ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৯, মার্চ ২০২৬ ১১:৪৬:০৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
‘যমুনা’য় ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী দেশে খাদ্য সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী বগুড়ায় ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত: আহত ২ শতাধিক হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পাঠাতে মিত্রদের ‘না’, হতাশ ট্রাম্প মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ, ধীরগতিতে চলছে গাড়ি চিকিৎসার অভাবে ৪৯ লাখ শিশুর মৃত্যু, জাতিসংঘের উদ্বেগ ধর্ষণ রোধে সমন্বিত সরকারি অ্যাকশন

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে সাবিনাদের ক্যাম্প বয়কট

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২০ পিএম, ২৭ জুলাই ২০২৩ বৃহস্পতিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

সময়টা ভালো যাচ্ছে না বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের। একে তো রীতিমতো গলার কাছে ছুড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে ফিফা।  মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে এসেছে নারী ফুটবলারদের ক্যাম্প বয়কট করাটা।

বেতন ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ক্যাম্প বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জাতীয় দলের নারী ফুটবলাররা। দাবি না মানা পর্যন্ত ক্যাম্পে যোগদান করবেন না বলে জানিয়েছেন তারা।

বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন নারী দলের ফুটবলাররা। নেপালের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার পর ছুটিতে গিয়েছিলেন তারা। ছুটি কাটিয়ে আগামী ৩১ জুলাই ফের ক্যাম্পে যোগদানের কথা ছিল সাবিনা-সানজিদাদের। কিন্তু ছুটিতে যাওয়ার আগে ফেডারেশনের উর্দ্ধতন কর্তাদের কাছে লিখিত আকারে দিয়ে যাওয়া নিজেদের দাবি দাওয়াগুলো না মানা পর্যন্ত ক্যাম্পে যোগ দেবেন না বলে একযোগে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ফুটবলাররা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাতীয় দলের এক ফুটবলার বলেন, ‘আমাদের দাবিগুলো লিখিত আকারে দিয়ে গিয়েছিলাম ছুটিতে যাওয়ার আগে। দেখেন আমাদের বেতন দেয় এখন ফেডারেশন থেকে ১০ হাজার টাকা। এতে কি হয় বলেন। দাবিগুলো মেনে না নেয়া পর্যন্ত আমরা ক্যাম্পে আসবো না।’


বাফুফে থেকে ১০ হাজার টাকা বেতন পান জাতীয় দলের নারী ফুটবলাররা। অভিযোগ রয়েছে তাদের বেতনটাও নিয়মিত হয় না। দুই মাস তিন মাস পরপর একমাসের বেতন দেয় ফেডারেশন। ফুটবলারদের দাবি বেতন ন্যূনতম ৫০ হাজার করা।

এ নিয়ে চলতি বছর দ্বিতীয়বারের মতো ‘বিদ্রোহ’ করলেন নারী ফুটবলাররা। এর আগে বছরের শুরুতে বিসিবি ও বাফুফের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার ঘোষণা দেওয়া অর্থ না পাওয়ায় অলিম্পিক বাছাইয়ের অনুশীলন বন্ধ রেখেছিলেন ফুটবলাররা।

এরপর অর্থের অভাবে এই দলকেই অলিম্পিকের বাছাইয়ে পাঠাতে পারেনি বাফুফে। সেই থেকেই ‘শনির কালো ছায়া’ পড়ে বাফুফের ওপর। যে ছায়া এখনও পিছু ছাড়েনি বাফুফের।